সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ছাত্রদের ভাঙচুর : জিডি
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ভাঙচুর করেছে শেরেবাংলা নগর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল ছাত্র। হাসপাতাল ক্যান্টিনে খেতে এসে ক্যান্টিনের লোকজনের সাথে বাক বিতন্ডার একপর্যায়ে গতকাল শনিবার সকালে তারা এ ভাঙচুর চালায়। এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। জিডিতে বলা হয়েছে, ওই ছাত্ররা হাসপাতালের নামাজের স্থান, অর্থপেডিক ও ট্রমা সেন্টারের সেবিকাদের বসার কক্ষ ও ক্যান্টিনে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের বসার কক্ষ ভাঙচুর করেছে। হাসপাতালের কর্মকর্তা কর্মচারীদের দাবি, গতকাল সকাল ৯টার দিকে তিনজন যুবক নিজেদের শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয়ে হাসপাতালের ক্যান্টিনে ঢোকেন। পরে ভাঙচুর করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই তিন ছাত্র ক্যান্টিনে ঢুকে খাবার চাইলে বয়রা তা দিতে দেরী করে। তারা প্রতিবাদ করলে ক্যান্টিনের লোকজন তেড়ে আসে। একপর্যায়ে ওই ছাত্রদের সাথে বাকবিতন্ডা এবং মারামারি হয়। পরে ক্যান্টিনের লোকজন ও ছাত্রদের মারধর করে আটকে রাখে। এ সময় তারা মোবাইলে বিষয়টি অন্যদের জানালে তারা এসে ভাঙচুর করে। ক্যান্টিন মালিকপক্ষের প্রতিনিধি এ বি এম রিয়াদ জানান, ওই তিনজনের মধ্যে একজন খাবার সরবরাহের স্থানে যান। সেখানে তিনি খাবার খুঁজতে থাকেন। তাকে যথাস্থানে বসতে অনুরোধ করা হলে তিনি ক্যান্টিনের এক কর্মচারীকে মারধর শুরু করেন। তার সাথে থাকা দুজনও মারধর শুরু করেন। এ ঘটনার ১০-১৫ মিনিট পর ২০-২৫ জন যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যান্টিনে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর করে ও কর্মচারীদের উপর হামলা চালান। এতে কয়েকজন কর্মচারী আহত হন। তারা হাসপাতালের নামাজের স্থান, অর্থপেডিক ও ট্রমা সেন্টারের সেবিকাদের বসার কক্ষ, ক্যান্টিনে জ্যেষ্ঠ চিকিৎসকের বসার কক্ষের কাঁচ ভাঙচুর করেন। এ ঘটনার পর হাসপাতালের পরিচালকের দফতরে জরুরি বৈঠকে বসে কর্তৃপক্ষ। বৈঠক শেষে হাসপাতালে পরিচালক এ কে এম মুজিবুর রহমান বলেন, 'ঘটনার ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। হাসপাতালের সেবাদান কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।' শেরেবাংলা থানার এসআই অনন্ত কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, ভাঙচুরকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।
No comments
Please do not inter any spam